সামরিক কোনও আঘাতের পরিকল্পনা করছে মার্কিন বাহিনী? তার প্রস্তুতি কি চূড়ান্ত পর্যায়ে? আকাশসীমা বন্ধ মনে করতে বলে ট্রাম্পের পোস্টের পর থেকেই শুরু হয়েছে জল্পনা।
দ্বন্দ্ব, বিবাদ, মতানৈক্য লেগেই আছে। সংশ্লিষ্ট অঞ্চলে সামরিক গতিবিধিও বাড়িয়ে দিয়েছিলেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ বার সরাসরি ভেনেজ়ুয়েলার আকাশসীমা বন্ধ বলে ধরে নিতে বললেন সমস্ত বিমান সংস্থাকে। তবে কি দক্ষিণ আমেরিকার এই দেশের বিরুদ্ধে সামরিক কোনও আঘাতের পরিকল্পনা করছে মার্কিন বাহিনী? তার প্রস্তুতি কি চূড়ান্ত পর্যায়ে? ট্রাম্প তা খোলসা করেননি। ফলে তাঁর ঘোষণার পরেই শুরু হয়েছে নানা জল্পনা।
শনিবার ট্রাম্প সমাজমাধ্যমে লিখেছেন, ‘‘সমস্ত বিমান সংস্থা, পাইলট, মাদক পাচারকারী এবং মানব পাচারকারীদের বলছি, ভেনেজ়ুয়েলা এবং তার চারপাশের আকাশসীমা একেবারে বন্ধ বলে ধরে নিন।’’ এর চেয়ে বেশি কিছু বলেননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তাঁর এই বক্তব্যের প্রতিবাদে ভেনেজ়ুয়েলা সরকার কয়েক ঘণ্টা পরে পাল্টা বিবৃতি দেয়। ট্রাম্পের পোস্টকে ‘ঔপনিবেশিক হুমকি’ বলে উল্লেখ করে তারা। বলা হয়, ট্রাম্পের বক্তব্য আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনকারী এবং ভেনেজ়ুয়েলার সার্বভৌমত্বে হস্তক্ষেপকারী।
দক্ষিণ আমেরিকার একেবারে উত্তরাংশে অবস্থিত ভেনেজ়ুয়েলা। ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর থেকেই সে দেশের সঙ্গে আমেরিকার বিবাদ বেড়েছে। অভিযোগ, বেআইনি পথে গোপনে আমেরিকায় মাদক পাচার করা হয় ভেনেজ়ুয়েলা থেকে। সেই মাদকে মার্কিন নাগরিকেরা বিপদে পড়ছেন। সে দেশের সরকারের এতে মদতও রয়েছে। ভেনেজ়ুয়েলার প্রেসিডেন্ট তথা সমাজতান্ত্রিক নেতা নিকোলাস মাদুরোকে প্রথম থেকেই এ নিয়ে চাপে রেখেছেন ট্রাম্প। দেশটির আশপাশের সমুদ্রে মার্কিন রণতরী মোতায়েন করা হয়েছে। তবে মাদক সংক্রান্ত আমেরিকার যাবতীয় অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন মাদুরো। তাঁর দাবি, ট্রাম্প তাঁকে কুর্সি থেকে সরানোর জন্যই এটা করছেন।
গত তিন মাসেরও বেশি সময় ধরে ভেনেজ়ুয়েলার আশপাশে সেনা মোতায়েন করছে আমেরিকা। প্রস্তুত রাখা হয়েছে রণতরী। এমনকি, সমুদ্রে একাধিক জাহাজ এবং ডুবোজাহাজে হামলাও চালিয়েছে মার্কিন বাহিনী। ট্রাম্প দাবি করেছেন, সেগুলি মাদক পাচারকারীদের জলযান। চলতি সপ্তাহের শুরুতে মার্কিন সেনাকে ট্রাম্প জানিয়েছেন, শীঘ্রই ভেনেজ়ুয়েলান মাদক পাচারকারীদের রুখতে ভূমি অভিযান শুরু করবে আমেরিকা। তবে এখনও পর্যন্ত সরাসরি হামলার কোনও ঘোষণা আসেনি। শনিবার তাঁর একটি পোস্ট জল্পনা আরও বাড়িয়ে দিল। সংবাদসংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, এ বিষয়ে মার্কিন আধিকারিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তাঁরা কোনও সদুত্তর দিতে পারেননি। অনেকে ট্রাম্পের নতুন ঘোষণা সম্পর্কে অবহিতই নন। পেন্টাগনেরও মুখে আপাতত কুলুপ। ভেনেজ়ুয়েলার বিরুদ্ধে মার্কিন প্রেসিডেন্টের যা পরিকল্পনা রয়েছে, আপাতত তা আড়ালেই রাখা হয়েছে।
দ্বন্দ্ব, বিবাদ, মতানৈক্য লেগেই আছে। সংশ্লিষ্ট অঞ্চলে সামরিক গতিবিধিও বাড়িয়ে দিয়েছিলেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ বার সরাসরি ভেনেজ়ুয়েলার আকাশসীমা বন্ধ বলে ধরে নিতে বললেন সমস্ত বিমান সংস্থাকে। তবে কি দক্ষিণ আমেরিকার এই দেশের বিরুদ্ধে সামরিক কোনও আঘাতের পরিকল্পনা করছে মার্কিন বাহিনী? তার প্রস্তুতি কি চূড়ান্ত পর্যায়ে? ট্রাম্প তা খোলসা করেননি। ফলে তাঁর ঘোষণার পরেই শুরু হয়েছে নানা জল্পনা।
শনিবার ট্রাম্প সমাজমাধ্যমে লিখেছেন, ‘‘সমস্ত বিমান সংস্থা, পাইলট, মাদক পাচারকারী এবং মানব পাচারকারীদের বলছি, ভেনেজ়ুয়েলা এবং তার চারপাশের আকাশসীমা একেবারে বন্ধ বলে ধরে নিন।’’ এর চেয়ে বেশি কিছু বলেননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তাঁর এই বক্তব্যের প্রতিবাদে ভেনেজ়ুয়েলা সরকার কয়েক ঘণ্টা পরে পাল্টা বিবৃতি দেয়। ট্রাম্পের পোস্টকে ‘ঔপনিবেশিক হুমকি’ বলে উল্লেখ করে তারা। বলা হয়, ট্রাম্পের বক্তব্য আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনকারী এবং ভেনেজ়ুয়েলার সার্বভৌমত্বে হস্তক্ষেপকারী।
দক্ষিণ আমেরিকার একেবারে উত্তরাংশে অবস্থিত ভেনেজ়ুয়েলা। ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর থেকেই সে দেশের সঙ্গে আমেরিকার বিবাদ বেড়েছে। অভিযোগ, বেআইনি পথে গোপনে আমেরিকায় মাদক পাচার করা হয় ভেনেজ়ুয়েলা থেকে। সেই মাদকে মার্কিন নাগরিকেরা বিপদে পড়ছেন। সে দেশের সরকারের এতে মদতও রয়েছে। ভেনেজ়ুয়েলার প্রেসিডেন্ট তথা সমাজতান্ত্রিক নেতা নিকোলাস মাদুরোকে প্রথম থেকেই এ নিয়ে চাপে রেখেছেন ট্রাম্প। দেশটির আশপাশের সমুদ্রে মার্কিন রণতরী মোতায়েন করা হয়েছে। তবে মাদক সংক্রান্ত আমেরিকার যাবতীয় অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন মাদুরো। তাঁর দাবি, ট্রাম্প তাঁকে কুর্সি থেকে সরানোর জন্যই এটা করছেন।
গত তিন মাসেরও বেশি সময় ধরে ভেনেজ়ুয়েলার আশপাশে সেনা মোতায়েন করছে আমেরিকা। প্রস্তুত রাখা হয়েছে রণতরী। এমনকি, সমুদ্রে একাধিক জাহাজ এবং ডুবোজাহাজে হামলাও চালিয়েছে মার্কিন বাহিনী। ট্রাম্প দাবি করেছেন, সেগুলি মাদক পাচারকারীদের জলযান। চলতি সপ্তাহের শুরুতে মার্কিন সেনাকে ট্রাম্প জানিয়েছেন, শীঘ্রই ভেনেজ়ুয়েলান মাদক পাচারকারীদের রুখতে ভূমি অভিযান শুরু করবে আমেরিকা। তবে এখনও পর্যন্ত সরাসরি হামলার কোনও ঘোষণা আসেনি। শনিবার তাঁর একটি পোস্ট জল্পনা আরও বাড়িয়ে দিল। সংবাদসংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, এ বিষয়ে মার্কিন আধিকারিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তাঁরা কোনও সদুত্তর দিতে পারেননি। অনেকে ট্রাম্পের নতুন ঘোষণা সম্পর্কে অবহিতই নন। পেন্টাগনেরও মুখে আপাতত কুলুপ। ভেনেজ়ুয়েলার বিরুদ্ধে মার্কিন প্রেসিডেন্টের যা পরিকল্পনা রয়েছে, আপাতত তা আড়ালেই রাখা হয়েছে।
আন্তজার্তিক ডেস্ক